Ad Code

ক্যারিয়ার গঠনে আইসিটি

আইসিটি কিভাবে আমাদের ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হতে পারে ;;

ক্যারিয়ার গঠনে আইসিটি
আইসিটি বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের ক্যারিয়ার গঠনে নানাভাবে সহায়ক হতে পারে।  বর্তমানে যেকোনো ধরনের চাকরি করতে যাওয়া হোক না কেন প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান আবশ্যক। অঅন্যভাবে বলা যায় প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা চাকরি প্রার্থীর বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আইসিটির সর্বমুখী ব্যবহারের কারণে কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে যোগ দেওয়া বা নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান বানানো কোনোক্ষেত্রেই আইসিটিকে এডিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। 

বিশ্বব্যাপী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্যারিয়ার গঠনের বড় একটি ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে থাকে।  এজন্য কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ই-মেইল, কম্পিউটার নিরাপত্তার বিষয়, মোবাইল, প্রোগ্রামিং প্রভৃতি ক্ষেত্রে জ্ঞহান থাকলে আইসিটি রিলেটেড বিভিন্ন চাকরি যেমন - কম্পিউটার অপারেটর, প্রোগ্রামার,হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, নেটওয়ার্ক এডমিনিস্ট্রেএডমিনিস্ট্রেটর ,  আইটি বিশেষজ্ঞ, আইটি এক্সিকিউটিভসহ বিভিন্ন পজিশনে চাকরি পাওয়া সহজ হয়ে যায়। 

কম্পিউটার সায়েন্স,কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, অফিস অটোমেশন, সিস্টেম ডিজাইন, রোবোটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এমন হাজারটি ক্যারিয়ারের নাম বলা যায়। এছাড়া এখন নতুন একটি ক্ষেত্র সর্বাধিক পরিচিতি লাভ করেছে তা হচ্ছে আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং।  এর ফলে ঘরে বসেই ইন্টারনেটে বাইরের বিভিন্ন দেশের কাজ করে দেয়া যাচ্ছে। এক্ষেত্রে কাজের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি বিষয় এগিয়ে।  

গ্রাফিক্স ডিজাইন,  প্রোগ্রামিং,  ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন,  ডাটা এন্ট্রি, এক্সেলের হিসাব নিকাশ,  প্রেজেন্টেশন বানানো,  এসইও ,  বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরির কাজ পাওয়া যায়।  এসব সাইটে এগুলো কাজ করে ফ্রীল্যান্সার হিসেবে নিজের একটা সাফল্যময় ক্যারিয়ার গড়ে তোলা যায়। 

বাংলাদেশে পড়াশোনা করে নামকরা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠাতা মাইক্রোসফট,  গুগল, ফেসবুক প্রভৃতি ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।। আবার অনলাইনে প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন অনলাইন পরিক্ষা দিয়ে certificate পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে।  

শুধু প্রযুক্তি বিষয়েই নয় এর বাইরে যেসব ক্যারিয়ার গঠন রয়েছে যেমন - শিক্ষকতা, ব্যাংকিং ওগুলোতে প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান থাকলে তা ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে।  
Reactions

Post a Comment

1 Comments