Android (এন্ড্রয়েড) মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করুন তিনটি সহজ উপায়ে
![]() |
| অনলাইন থেকে আয় |
আপনার একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল আছে হয়তো অবসর সময় পার করার জন্য গান,নাটক মুভি গেমস খেলে সময় পার করছেন। এটাই স্বাভাবিক কারন এ ছাড়া আপনার কোন কিছু করার নেই।আপনি যদি একটু মোড় ঘুড়িয়ে দেন যে আমি টাকা ইনকাম করব এই মোবাইলের মাধ্যমে তা সম্ভব কিন্তু কিভাবে করবেন কোন ওয়ে জানা নাই তবে আপনার জন্যই আমাদের আজকের ব্লগ পোষ্ট টি
১. Youtube ইউটিউব
![]() |
| ইউটিউব আয় |
সোস্যাল মিডিয়ার ভিডিও শেয়ারিং এর জন্য সবচেয়ে বড় প্লাটফর্ম হচ্ছে ইউটিউব যেখানে মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন ডু মারে এই সাইটে যেখানে নাটক,মুভি গান,শিক্ষামূলক অনুস্ঠান ইত্যাদি দেখে থাকে ইউটিউবের মাধ্যমে। আপনি হয়তো ইউটিউবের ভিডিও দেখে আনন্দিত হন বা কিছু কিছু কন্টেন্ট আপনার ব্যাক্তি জীবনে উপকারে আসে কিন্তু যারা এসব কন্টেন্ট আপলোড করে তারাই বেশি অার্থিক লাভবান হয়ে থাকে আপনার প্রতিটি ভিউও উপর তাদের একাউন্টে আসে ডলার। অবিস্বাস হচ্ছে আসলেই এটাই বাস্তবতা। কিন্তু আপনিও কিভাবে শুরু করবেন ইউটিউবে ইনকাম চলুন সেদিকে আলোচনা শুরু করি...
ইউটিউব শুরুর আগে আপনি হয়তো বলতে পারেন আমি কিভাবে শুরু করব বা কি ধরনের কন্টেন্ট দিয়ে শুরু করব?
তাহলে আপনার জন্য আমাদের পরামর্শ আপনি নাচ,গান,নাটক,গেমস, লেখা-পড়া, বাশিঁ বাজানা,পেয়ানো,ড্রাম,গিটার কোন কাজ টি ভাল পারেন এর বাহিরের মধ্যেও আপনার অনেক প্রফেসনাল কাজ জানা থাকতে পারে সেটি দিয়েই ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে আপনার চ্যানেলে আপলোড করতে পারেন। একের পর ভিডিও আপলোড করতে করতে একটা সময়ের পর ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছে এডসেন্সের কাছে আবেদন করলে আবেদনটি অনেক পর্যালোচনা করার পর এডসেন্স এপ্রোভ করবে এডসেন্স এর মাধ্যমে কোন কোন ইউটিউবার ৫-৭ লক্ষ টাকাও ইনকাম করে।
তাহলে আপনার জন্য আমাদের পরামর্শ আপনি নাচ,গান,নাটক,গেমস, লেখা-পড়া, বাশিঁ বাজানা,পেয়ানো,ড্রাম,গিটার কোন কাজ টি ভাল পারেন এর বাহিরের মধ্যেও আপনার অনেক প্রফেসনাল কাজ জানা থাকতে পারে সেটি দিয়েই ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে আপনার চ্যানেলে আপলোড করতে পারেন। একের পর ভিডিও আপলোড করতে করতে একটা সময়ের পর ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছে এডসেন্সের কাছে আবেদন করলে আবেদনটি অনেক পর্যালোচনা করার পর এডসেন্স এপ্রোভ করবে এডসেন্স এর মাধ্যমে কোন কোন ইউটিউবার ৫-৭ লক্ষ টাকাও ইনকাম করে।
ইউটিউব থেকে ইনকাম করার আরেকটি উপায় হচ্ছে স্পনসর নেওয়া আপনি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে স্পনসর নিতে পারেন যেমন আপনার ভিডিও আগে বা পড়ে তাদের কোম্পারির রিভিও দিলেন তা থেকেও মাসে ভাল ধরনের একটা ইনকাম করতে পারেন।
২.Blogsite ব্লগিং:
![]() |
| ব্লগ থেকে আয় |
ব্লগিং করছেন বা ব্লগিং করার কথা ভাবছেন? ব্লগিং এ কিভাবে সফল হবেন বা সফল হতে পারছেন না? সকল বিষয় নিয়ে কথা হবে বিস্তারিত। আজকের লেখায় আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ব্লগিং করে না ব্লগ হতে কিভাবে আয় করতে পারেন। শেয়ার করবো ব্লগ থেকে আয় করার সহজ ও সেরা ৭ টি উপায় সম্পর্কে; তো কথা না বাড়িয়ে চলুন একে একে দেখে নেওয়া যাক ব্লগ থেকে আয় করার সেরা ৭ টি উপায় কি কি?
সিপিসি বা সিপিএম দ্বারা মনিটাইজ
আপনার ব্লগ সাইট থেকে আয় করার সব থেকে সেরা এবং সহজ উপায় হলো সিপিসি বা সিপিএম অ্যাড; আমি আরও একটু ক্লিয়ার করে দিচ্ছি। সিপিস কি? “সিপিসি হলো ক্লিক পার কষ্ট” অর্থাৎ আপনার সাইটে কোন ব্যানার অ্যাড প্রদর্শন করলে ওই অ্যাডে কেউ ক্লিক করলে আপনার নির্ধারিত পরিমান আয় হবে।
এবার আসা যাক সিপিএম কি? ” সিপিএম হলো কষ্ট পার ১০০০ ইম্প্রেশন” অর্থাৎ আপনার সাইটে প্রদর্শিত অ্যাডের যত ইম্প্রেশন হবে তার বিনিময়ে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমান আয় করার সুযোগ পাবেন।
আর সিপিসি মনিটাইজ এর সব থেকে সেরা প্ল্যাটফরম হলো গুগলের অ্যাডসেন্স। এখানে আপনাকে তেমন কোন শর্ত পুরন করতে হবে না। কিংবা নির্দিষ্ট কোন টার্গেটেড ভিজিটর এর প্রয়োজন নেই; কেবল মাত্র ভালো কন্টেন্ট থাকলেই আপনি মনিটাইজ এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে আপনার ব্লগে About, Contact, Privacy and Policy এই তিনটি পেজ থাকা বাধ্যতামুলক এবং এই তিনটি পেজে সব ইনফরমেশন থাকতে হবে। পাশাপাশি কন্টেন্ট কপি করে পাবলিশ করা যাবে না। আপনি ভিবিন্ন সাইট হতে ধারনা নিয়ে নিজের মতো লেখা পাবলিশ করতে পারেন।
সেল প্রাইভেট অ্যাড
প্রাইভেট অ্যাড সেল আবার কি? প্রাইভেট অ্যাড সেল হচ্ছে কোন নির্দিষ্ট কোম্পানির বা ব্যাক্তির বিজ্ঞাপন হতে পারে ব্যানার, লিঙ্ক অথবা ভিডিও আপনার ব্লগ সাইটে শেয়ার করা; আমি আপনাকে আরও একটু ক্লিয়ার করে দিচ্ছি, ধরুন আমার ব্লগ সমাগম.কম এ শাওমি কোম্পানির কোন মোবাইলে অ্যাড প্রচার করার ব্যাপারে চুক্তি হলো; এ জন্য শাওমি আমাকে নির্দিষ্ট অর্থ পে করবে; আপনি এর মাধ্যমে এককালীন কিংবা লিঙ্কে ক্লিক এর বিনিময়ে অথবা নির্দিষ্ট ইম্প্রেশনের জন্য টাকা পেতে পারেন; আশা করছি ব্যাপারটা ক্লিয়ার হয়েছে। সমস্যা থাকেল কমেন্টে লিখে জানাবেন।
এফিলিয়েট মার্কেটিং অথবা এফিলিয়েট লিঙ্ক শেয়ারিং
ধরুন আমার একটি ই-কমার্স সাইট আছে সেখান থেকে আপনি কিছু পন্য বিক্রি করিয়ে দিলেন তার বিনিময়ে আপনাকে নির্দিষ্ট অর্থ বা কমিশন প্রদান করবো; এটাই এফিলিয়েট। আপনি যদি ইংলিশে ভালো কন্টেন্ট লিখতে পারেন তাহলে আপনার জন্য এটি ভালো সুযোগ হবে; তবে এর জন্য আপনার সাইটে একটা ভালো পরিমান ভিজিটর থাকতে হবে; আপনি এজন্য ভিবিন্ন সাইটের এফিলিয়েট পার্টনার প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারেন।
ডিজিটাল প্রোডাক্ট সেল করুন
ডিজিটাল প্রোডাক্ট সেল করার আগে আপনার জানতে হবে ডিজিটাল প্রোডাক্ট কি? Digital Product হলো যে সকল প্রোডাক্ট হাতে ধরা যায় না কিন্তু ডাউনলোড করা যায়; কিন্তু এর জন্য পে করতে হতে পারে আবার নাও হতে পারে। যেমন- ই-বুক, ভিবিন্ন সফটওয়্যার, থিম, প্লাগিন, ছবি বা ইমেজ, ভিডিও ইত্যাদি।
নিজস্ব প্রোডাক্ট সেল
নিজস্ব প্রোডাক্ট সেল বলতে আপনার নিজের কাছে কোন পন্য থাকলে অথবা অন্যের নিকট থেকে পন্য ক্রয় করে আপনার সাইটে মার্কেটিং করে বিক্রি করে আয় করতে পারেন; আপনার সাইটে এজন্য ভালো পরিমান ভিজিটর থাকতে হবে। যেমন আপনি বিভিন্ন হাতের তৈরি ব্যাগ; খেলনা, ফেসিয়াল প্রোডাক্ট, ড্রেস আপনার ব্লগের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন; আপনার লেখার মাঝে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার ভিজিটর দের জানিয়ে দিতে পারেন; তবে সব সময় মাথায় রাখবেন বিষয়টি যেন আপনার লেখার সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ থাকে।
অনলাইন কোর্স সেল
ধরুন আপনি ভালো ওয়েব ডিজাইন পারেন। এখন আপনি ওয়েব ডিজাইন নিয়ে ভালো মানের কোর্স তৈরি করে আপনার সাইটের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন; এখানেও আপনার কোর্সের সাথে আপনার ব্লগের লেখার মিল রাখার চেষ্টা করুন; এজন্য আপনি আপনার ব্লগ সাইটে ওয়েব ডিজাইন নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন; লেখার মাঝে আপনার কোর্স সম্পর্কে আপনার আপনার ভিজিটরদের জানিয়ে দিতে পারেন; তাই খুজুন আপনি কোন বিষয়ে এক্সপার্ট সেই বিষয়ে কাজ শুরু করুন।
৩.Facebook ফেইসবুক:
![]() |
| ফেইসবুক থেকে আয় |
আপনি যদি স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয় আপনার মনে কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে
“টাকা আয় করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি কি?”
“ঘরে বসে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?”
“ইশ এমন কোনো মাধ্যম থাকতো, যেন খুব দ্রুতই হাতে কিছু টাকা চলে আসতো”
এমন প্রশ্ন হরহামেশাই শোনা যায়। এমনকি আমাদের নিজেদের মনেও উঁকি দেয় এরকম হাজারো প্রশ্ন। ছাত্রজীবনে টিউশুনির গণ্ডির বাইরে তাকালেই দেখা যায় এই হাহাকার। কিন্তু এতসব প্রশ্নের কিন্তু খুব সহজ একটা উত্তর রয়েছে। উত্তরটা হলো ফেসবুক। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন Facebook দিয়ে আবার কিভাবে টাকা আয় করব? এবার টাকা আয়ের কথা বাদ দেই দু মিনিটের জন্য। আপনাকে আমি জিঙ্গাসা করি আপনি ভাল কি করতে পারেন? আপনার উত্তর হতে পারে,
ভাল ইংরেজী বলতে পারি,
ভাল গনিত কষতে পারি,
ভালভাবে একাউন্টেট পড়াতে পারি,
ভাল গান গাইতে পারি,
ভাল বাসিঁ বাজাতে পারি, অথবা ভালভাবে গান গাইতে পারি এই গুনাগুনের মধ্যে যে কোন একটি ভাল থাকতে পারে। যেটার প্রতি অগাত বিশ্বাস আছে সেটা দিয়ে শুরু করতে পারেন যেমন ভাল গান গাইতে পারেন আপনি প্রতিদিন একটি করে গান গেয়ে আপনার ফেইজবুক পেইজে আপলোড করতে পারেন প্রতিনিয়ত পোষ্ট করতে করতে লাইক,কমেন্ট,শেয়ারের পাশা-পাশি ভিউ ও হতে থাকবে এরপর ফেইসবুক পেইজ কমিউনিটির কাছে এডসেন্সের আবেদন করলে আপনার কন্টেন্ট রিভিউ করে এডসেন্স দিয়ে দিবে তখন থেকে আপনার ডলার ইনকাম করা শুরু। যখন ১০০ ডলার হবে নিদিষ্ট ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে উইদড্র করতে পারবেন।
ভাল গনিত কষতে পারি,
ভালভাবে একাউন্টেট পড়াতে পারি,
ভাল গান গাইতে পারি,
ভাল বাসিঁ বাজাতে পারি, অথবা ভালভাবে গান গাইতে পারি এই গুনাগুনের মধ্যে যে কোন একটি ভাল থাকতে পারে। যেটার প্রতি অগাত বিশ্বাস আছে সেটা দিয়ে শুরু করতে পারেন যেমন ভাল গান গাইতে পারেন আপনি প্রতিদিন একটি করে গান গেয়ে আপনার ফেইজবুক পেইজে আপলোড করতে পারেন প্রতিনিয়ত পোষ্ট করতে করতে লাইক,কমেন্ট,শেয়ারের পাশা-পাশি ভিউ ও হতে থাকবে এরপর ফেইসবুক পেইজ কমিউনিটির কাছে এডসেন্সের আবেদন করলে আপনার কন্টেন্ট রিভিউ করে এডসেন্স দিয়ে দিবে তখন থেকে আপনার ডলার ইনকাম করা শুরু। যখন ১০০ ডলার হবে নিদিষ্ট ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে উইদড্র করতে পারবেন।
দ্বিতীয় ধাপে ফেইসবুক একাউন্ট বিক্রি:
আগে এমন একটা সময় গেছে মানুষ অযথাই ফেইসবুক প্রোফাইল নানা নামে তৈরী করেছিল যদি ও বর্তমানে তা বহাল নেই সেই প্রোফাইল গুলো হয়তো আপনার সময়ের তাগিদে দেখভাল করার সময় নেই সেসব প্রোফাইল থেকে পপুলার কিছু সেল করতে পারেন।
তৃতীয় ধাপ ফ্যান পেইজ বিক্রি:
একটি জনপ্রিয় পেইজ প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার চেয়েও বেশি কার্যকর সম্প্রতি আপনার লক্ষ করেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন কয়েকটি অন্যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্বে ফেইসবুক লাইভ করায় সেসকল সমস্যার সমধান হয়েছে।
মানুষ সেলিব্রেটি হওয়ার জন্য কি না করে,,বিভিন্ন সেলিব্রেটিদের নামে ফেইক পেইজ তৈরী করে হাজার হাজার ফলোয়ার তৈরী করে অথবা আপনার বিভিন্ন ক্যাটাগরির পেইজ থাকতে পারে এসব পেইজ থেকে বিভিন্ন দামে বিক্রি করে টাকা আয় করতে পারেন।
মানুষ সেলিব্রেটি হওয়ার জন্য কি না করে,,বিভিন্ন সেলিব্রেটিদের নামে ফেইক পেইজ তৈরী করে হাজার হাজার ফলোয়ার তৈরী করে অথবা আপনার বিভিন্ন ক্যাটাগরির পেইজ থাকতে পারে এসব পেইজ থেকে বিভিন্ন দামে বিক্রি করে টাকা আয় করতে পারেন।
চতুর্থ ধাপে গ্রুপ তৈরী করে বিক্রি:
ফেইসবুকের সবচেয়ে আলোচনাকারী ধাপটি হচ্ছে গ্রুপ যেখানে যেকোন ছবি বা ভিডিও ভাইরাল হতে মূহুত্বের ব্যাপার আপনি একা একা একটি গ্রুপ তৈরী করে হাজার হাজার মেম্বার জয়েন করাতে পারেন বা গ্রুপে বিভিন্ন ফুড পন্যের রিভিও দিয়েও মাসে ভাল মানের টাকা আয় করতে পারেন অথবা ইচ্ছে করলেই এসব গ্রুপ চড়া দামে বিক্রি করতে পারেন। গ্রুপ বিক্রি করার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে "ফেইসবুক গ্রুপ মেম্বার সেল" সেখানে কেনা - বেচার কাজটি সহজেই করতে পারেন।




0 Comments